123 Main Street, New York, NY 10001

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ঘরের মাঠ

পার্ক দে প্রিন্সেসে চেলসিকে ৫-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে প্যারিস সেইন্ট

জার্মেই (পিএসজি)। সাত গোলের এই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে লুইস এনরিকের দল দুর্দান্ত

আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে জয়ের বন্দরে পৌঁছানোর পাশাপাশি কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথটি

অনেকটাই সুগম করে নিয়েছে। ম্যাচের শুরুর দিকে চেলসি দুই দফায় সমতা ফিরিয়ে লড়াই

জমিয়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত পিএসজির গতির সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে তাদের

রক্ষণভাগ।

খেলার প্রথমার্ধ থেকেই শুরু হয় দুই দলের নাটকীয় আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণের মহড়া।

শুরুতে পিএসজির হয়ে বারকোলা চমৎকার এক গোলে দলকে এগিয়ে নিলেও সেই আনন্দ বেশিক্ষণ

স্থায়ী হতে দেননি চেলসি ডিফেন্ডার মালো গুস্তো। তাঁর দ্রুত গোল ম্যাচে ১-১ সমতা

ফিরিয়ে আনে। বিরতির পর আক্রমণ বাড়ায় পিএসজি এবং উসমান দেম্বেলে আবারও প্যারিসের

দলটিকে লিড এনে দেন। তবে লড়াই ছেড়ে দেয়নি চেলসি; দলের মধ্যমাঠের কাণ্ডারি এঞ্জো

ফার্নান্দেসের বুদ্ধিবৃত্তিক গোলে আবারও ২-২ স্কোরলাইন ফিরে এলে গ্যালারিজুড়ে

উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

তবে ম্যাচের পরবর্তী অংশ ছিল পিএসজির একচ্ছত্র দাপটের গল্প। ২-২ সমতা থাকা অবস্থায়

চেলসি গোলরক্ষকের একটি মারাত্মক ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভিতিনিয়া পিএসজিকে ৩-২

ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই গোলের পরই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সফরকারী দল। ম্যাচের ভাগ্য

পুরোপুরি গড়ে দেন বদলি হিসেবে নামা জর্জিয়ান তারকা খিচা কাভারাৎস্খেলিয়া। মাঠে

নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই চেলসি রক্ষণকে ধুলোয় মিশিয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন তিনি।

খেলার একদম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দাপট বজায় রেখে ইনজুরি টাইমে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ

করার মাধ্যমে ৫-২ ব্যবধানে চেলসির পরাজয় নিশ্চিত করেন কাভারাৎস্খেলিয়া।

বিশাল ব্যবধানে জেতায় লুইস এনরিকের দল এখন বেশ স্বস্তিতে থাকলেও কোয়ার্টার ফাইনাল

নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় লেগের চ্যালেঞ্জটি এখনো বাকি। আগামী মঙ্গলবার লন্ডনের

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ফিরতি লেগে মুখোমুখি হবে দুই দল। পরের রাউন্ডে যেতে হলে ঘরের

মাঠে চেলসিকে অবিশ্বাস্য কোনো অলৌকিক পারফরম্যান্স উপহার দিতে হবে। আপাতত নিজেদের

মাঠে রাজকীয় এক জয় নিয়ে দাপটের সাথে ইউরোপ সেরার মঞ্চে এগিয়ে যাচ্ছে পিএসজি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *