123 Main Street, New York, NY 10001

কলকাতার মালবাজারের সাধারণ এক মানুষ থেকে বিশ্বখ্যাত ‘বাইক অ্যাম্বুল্যান্স দাদা’

হয়ে ওঠার অবিশ্বাস্য ও অনুপ্রেরণাদায়ী জীবনকাহিনী নিয়ে নির্মিত হচ্ছে টলিউড

মেগাস্টার দেবের ৫০তম চলচ্চিত্র। তবে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের বিশেষ লগ্নে এই ছবির

নির্মাতারা সকল আলো কেড়ে নিলেন করিমুল হকের জীবনের সেই মূল শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা

জানিয়ে, যিনি দীর্ঘ কয়েক দশকের সংগ্রাম আর পথচলায় সবসময় স্বামীর পাশে ছায়ার মতো

ছিলেন। তিনি করিমুল হকের স্ত্রী ‘অঞ্জু’, যাঁর চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয়

অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। গত শুক্রবার সকালে দেব এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চারসের

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রুক্মিণীর সেই কাঙ্ক্ষিত লুকটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা

হয়।

প্রকাশিত ছবিতে রুক্মিণীকে দেখা গেছে অত্যন্ত স্নিগ্ধ ও সরল এক গ্রামীণ গৃহবধূর

অবতারে। ভারী মেকআপ ছাড়াই সাধারণ সুতির শাড়িতে তাঁর সেই শান্ত চাহনি চরিত্রটির

গভীরতা ফুটিয়ে তুলেছে। পোস্টের ক্যাপশনে নির্মাতারা অঞ্জুকে বর্ণনা করেছেন একজন

‘নিবেদিত প্রাণ’ নারী হিসেবে। সেখানে অত্যন্ত আবেগের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে যে,

অঞ্জুর নিঃশব্দ সমর্থন আর অমূল্য ত্যাগ ছাড়া হয়তো করিমুল হকের এই মহান সমাজসেবা বা

বিশ্বজুড়ে তাঁর এই পরিচিতি কখনোই সম্ভব হতো না। তাঁর নীরব সাহচর্যের মধ্য দিয়েই

করিমুল হক মানুষের সেবা করার মনোবল খুঁজে পেয়েছেন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রাক্কালে অঞ্জুর এই লুকটি প্রকাশ্যে এনে একটি গভীর

সামাজিক বার্তা দিয়েছেন নির্মাতারা। তাঁরা স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো পুরুষের সাফল্যের

চূড়ায় আরোহণ বা নিঃস্বার্থ সমাজসেবার নেপথ্যে পর্দার আড়ালে থাকা নারীর আত্মত্যাগের

গল্প অনেক ক্ষেত্রে অজানাই থেকে যায়। পর্দায় করিমুল হক এবং অঞ্জুর সম্পর্কের রসায়ন

সেই না বলা আত্মত্যাগের কাহিনীকেই জীবন্ত করে তুলবে। একজন গৃহবধূর নিভৃত সংগ্রামের

এই বাস্তব রূপ রুক্মিণীর মাধ্যমে সেলুলয়েডের পর্দায় দেখা যাবে, যা তাঁর ক্যারিয়ারে

একটি শক্তিশালী পালক যোগ করবে বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।

দেবের মাইলফলক ছোঁয়া এই প্রজেক্ট এবং রুক্মিণীর সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘরানার এই অবতার দুই

তারকার অগণিত ভক্তের মাঝে নতুন করে উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে। বাইক অ্যাম্বুল্যান্স

দাদার মানবিক কর্মযজ্ঞের পাশাপাশি পরিবারের অন্তর্গত সংঘাত ও প্রেমের এই মহাকাব্য

দেখার জন্য এখন থেকেই অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছে দর্শক। সব মিলিয়ে দেবের ৫০তম এই

ছবিটি নিছক বিনোদনের সীমানা ছাড়িয়ে বাস্তবধর্মী এক শৈল্পিক আখ্যানে পরিণত হতে

যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *