123 Main Street, New York, NY 10001

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত আসরের চ্যাম্পিয়ন বলে পরিচিত পিএসজি এবার কঠিন লড়াই দিয়ে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে। দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে তারা মোনাকো’র সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র করলেও, প্রথম ম্যাচে ৩-২ ব্যবধানের জয় পেয়েছিল। এর ফলে দুই লেগের মোট স্কোর অ্যাগ্রিগেটে ৫-৪ গেলে শেষ পর্যন্ত প্যারিসের এই ক্লাবটা শেষ ষোলোতে পৌঁছে গেছে। বিশেষ করে, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মোনাকো মিডফিল্ডার মামাদু কুলিবালির লাল কার্ড পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

ম্যাচের পুরো সময় জুড়ে পিএসজির আধিপত্য থাকলেও, মাঠের লড়াই ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। প্যারিসের দলটির কাছে বলের আধিপত্য ছিল ৬৮ শতাংশ। তবে প্রথমার্ধে মোনাকো’র মাঘনেশ অ্যাকলিউশের গোলে তারা লিড নেয়। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে কাভারৎস্খেলিয়াকে ফাউল করে কুলিবালি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (লাল কার্ড) দেখে মাঠ ছাড়ে, ফলে তারা হয় ১০ জনে। এর আগে থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল মোনাকোর হাতে। কিন্তু একজন কম খেলোয়াড় থাকাকেও দ্রুত এই পরিস্থিতির সুযোগ নেন পিএসজির প্রতিযোগীরা। দুই মিনিটের মধ্যে ফ্রিরিকে গোল করে সমতা আনি অধিনায়ক মার্কিনিয়োস। এর ছয় মিনিট পর কবরৎস্খেলিয়া গোল করে পিএসজিকে এগিয়ে নেন। যোগ সময়ে মোনাকোর জর্ডান তেজে গোল করলেও, শেষ পর্যন্ত তারা পারেনি ম্যাচ রক্ষা করতে।

মোনাকো কোচ সেভাস্তিয়েন পোকোগনলি ম্যাচের পরে তার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কুলিবালির লাল কার্ডই ছিল ম্যাচের মূল টার্নিং পয়েন্ট। তিনি বলেন, মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে দুটি হলুদ কার্ড দেওয়া কঠোর ও প্রশ্নবিদ্ধ সিদ্ধান্ত ছিল। তবে, দশজনের দল নিয়েও পিএসজির মতো দলকে ড্র করায় তিনি তাঁর খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন। তিনি আরও বলেন, তারা পিএসজির টপ খেলোয়াড়দের দুর্বলতা চিনে নিয়েছে, তবে ভাগ্য তাদের কাছে সহায় ছিল না।

বিপরীতে, পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে বলেছেন, ম্যাচটি তাঁদের জন্য মোটেও সহজ ছিল না। বিশেষ করে প্রথমার্ধে মোনাকোর দাপটে দলের কিছুটা দিশেহারা হয়ে পড়ে। তবে দলের মনোবল ও মানসিকতার প্রশংসা করেছেন তিনি। গত মৌসুমে প্রথমবারের মতো শিরোপা জেতা এই দলটি প্লে-অফ থেকে বিদায় লুকানো ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেরা ১৬ এ নিজেদের জায়গা করে নিল। এখন তাদের লক্ষ্য, নকআউট পর্বে পারফেক্ট ফিরে আসা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *