123 Main Street, New York, NY 10001

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে হয় চীনের দেশের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নসহ আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নতুন সরকারের ঘোষিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতিকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে বেইজিং সব সময় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে। তিনি আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অখণ্ডতা ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সার্বভৌম অবস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে পাশে থাকবে। তবে তিস্তা প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যদিও বর্তমানে সরকারের চূড়ান্ত অবস্থান সম্পর্কে তিনি এখনই কিছু বলতে চাননি। আঞ্চলিক রাজনীতিতে তৃতীয় কোনো দেশের অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করে বলেন, চীন এই অঞ্চলের মানুষের টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করছে এবং এখানে প্রতিবন্ধকতা নয় বরং সহযোগিতা চায়। এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য ছিল রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান নিয়ে আলোচনা। চীন বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল সরকারের জন্য অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করে। নতুন সরকারের অধীনে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের উন্নয়ন আরো নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। বেইজিং বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতেও আগ্রহী। সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *