123 Main Street, New York, NY 10001

প্রথমে টস হারিয়ে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছে ভারতের কঠিন চ্যালেঞ্জের। ভারতের ওপেনার ইশান কিশান ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের জয় ত্বরান্বিত করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারতের স্কোর ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রান। শুরুতেই অন্য ওপেনার অভিষেক শর্মা শূন্য রানে আউট হলেও, কিশান ছিলেন এক অনন্য দুর্বার দৌড়ে। মাত্র ২৭ বলের মধ্যে অর্ধশতক পূরণ করে তিনি করেছেন ৭৭ রান, যেখানে ছিল ১০টি চারের ও ৩টি ছক্কা মার। কিশানের দাপট দেখিয়ে বোঝা যায়, ভারতের প্রথম ৮৮ রানের মধ্যে তার অবদান ছিল ৭৭। পাকিস্তান এই ম্যাচে ফিরে আসার জন্য চেষ্টা করলেও স্পিনার সাইম আইয়ুবের ধাপে ধাপে আঘাতে তাদের বিপত্তি ঘটে। তারিক, বুমরা ও শিভম দুবে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। শেষের দিকে সূর্যকুমার যাদব, শিভম দুবে দলের জন্য বিপুল মূল্যবান রান করে, ফলে ভারতের সংগ্রহ হয় এক সম্মানজনক স্কোর। অথচ পাকিস্তান শুরুতেই ভেঙে পড়ে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৩ উইকেট হারায় তারা—সাইম আইয়ুব, সালমান আগা ও সাহেবজাদা ফারহান দ্রুত ফিরিয়ে দেয় ভারতকে। এর পরে আর কোনভাবে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেনি পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা। উসমান খান কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও অক্ষর প্যাটেল ও অন্যান্য বোলাররা তাদের দমন করেন। শেষদিকে শাহী আফ্রিদি মাত্র ২৩ রান করে অপরাজিত থাকলেও ম্যাচের ফল বদলাতে পারেনি। ভারতের পক্ষে বল হাতে অসাধারণ করতে দেখা গেছে বুমরা, পান্ডিয়া, প্যাটেল ও চক্রবর্তী—প্রতিটি বোলার দুইটি করে উইকেট নেন। দুর্দান্ত এই প্রতিরোধের মাধ্যমে ভারত পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের ক্রিজে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়নি। ম্যাচের বাইরেও ছিল উত্তেজনা—বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান মার্গে হুমকি দিলেও আর্থিক ক্ষতির ভয়ে শেষে শরণ নিয়েছে, কিন্তু মাঠে আগে শুরুতে ম্যাচের সময় দুই দলের অধিনায়কদের মধ্যে করমর্দন এড়িয়ে যাওয়া চোখে পড়ার মতো ছিল। এই জয়ে ভারতের দুর্দান্ত সাফল্য তাদের সুপার এইটে আরও এগিয়ে নিল, আর পাকিস্তানের অবস্থা এখন কঠিন পরিস্থিতিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *