123 Main Street, New York, NY 10001

বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ এবং দেশের মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে রফতানি আয়ের বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের কারণে বাজারে ডলারের অতিরিক্ত তীব্রতা দেখা গেছে, যা এই কার্যকর পদক্ষেপের কারণে নিয়ন্ত্রণে আসছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ডলার বাজারে স্থিরতা ফিরিয়ে আনতে ১৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ২০ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, প্রতি ডলার কেনা হয়েছে ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে। এই ডলারের ক্রয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে ‘মাল্টিপল প্রাইস অকশন’ পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। এ বছর এখন পর্যন্ত মোট ৪৭২ কোটি ৪৫ লাখ ডলার কেনা হয়েছে, যার মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে בלבד কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৭৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বাজার থেকে সংগ্রহ করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “বাজারে এখন চাহিদার তুলনায় ডলার সরবরাহ বেশি। রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য আমরা গত জুলাই থেকে ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই ক্রয় কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো, ডলারের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কমে না যায় এবং দেশের রিজার্ভের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।”

অতিরিক্ত ডলার সরবরাহের কারণে ডলারের মূল্য কমে যাওয়াকে প্রতিরোধ করা এবং ভবিষ্যতেও দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ধরণের বাজার হস্তক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে। গত সপ্তাহেও বিভিন্ন দিন ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার সংগ্রহ করেছে। সেই সময়ের বিভিন্ন তারিখে (রবিবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার) যথাক্রমে যথাক্রমে ২১ কোটি ৮৫ লাখ, ১৭ কোটি ১০ লাখ, এবং ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার কেনা হয়, যেখানে প্রত্যেক সময় ডলের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এই হস্তক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো, রফতানি বিকাশে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রবাসী আয়কে উপযুক্ত মূল্য দিতে পারা, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *