123 Main Street, New York, NY 10001

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ নিজেকে আত্মবিশ্বাসী করে জানিয়েছেন, তিনি কোনো এমন কাজ করেননি যার ফলে পরবর্তী সরকার আসলে তিনি আইনি জটিলতার সম্মুখীন হবেন। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তিনি ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজের সম্পদ ও অর্থের হিসাব জমা দিয়েছেন। দায়িত্ব পালন ও স্বচ্ছতার বিষয়ে তিনি বলেন, “আশা করি এমন কিছু করিনি যাতে পরবর্তী সরকার আসলে মামলা বা আদালতের জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে।”

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার কাজের মূল্যায়ন করে তিনি নিজেকে ৭০ শতাংশের বেশি নম্বর দেওয়ায় প্রত্যয় প্রকাশ করেন। যদিও সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, তবে তিনি দাবি করেন যে, যে উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়েছে তা জনকল্যাণে কার্যকর। নিজের কাজের জন্য তিনি বলেন, “উপদেষ্টা হিসেবে আমি ৭০ বা তার বেশি মার্কস দেবো। অনেক কিছু করতে পারিনি, তবে যা করেছি তার মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ।”

অর্থনৈতিক সংস্কার ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয়েও সালেহউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন যে, দেশের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য স্থানীয় শিল্পের ভিত্তি শক্ত করা ও রপ্তানি খাতের উপর নির্ভরতা বাড়ানো জরুরি। পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে তিনি জানান, তথ্য পাওয়া গেছে পাচারকারীদের গন্তব্য ও জড়িতদের পরিচয়, কিন্তু এখনো প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, “অতিমাত্রায় টাকা পাচার হয়েছে, কিন্তু সঠিক পরিমাণ জানি না। পরবর্তী সরকার যদি সিরিয়াস হয়, তাহলে তারা অর্থ ফেরত আনতে পারবে।” তিনি আরো বলেন, পাচারকারীরা অত্যন্ত দক্ষ লোক নিয়োগ করে অর্থ সরিয়ে নিয়েছে, যা উদ্ধার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়াদি করে তুলেছে।

শেষে, তিনি বলেন, ‘পরবর্তী সরকারের কাছে বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক কাজগুলো অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমাদের করা কাজগুলো চালিয়ে যেতে হবে, এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।’ তিনি জ্বালানি সংকটকে বর্তমানে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করে সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও বেশি সমন্বয় করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *