123 Main Street, New York, NY 10001

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে কোনো

প্রকার অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব বা কালো টাকার বিস্তার রোধে এক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ

করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশেষ করে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) এবং

ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি পর্যায়ের আর্থিক আদান-প্রদানকে একটি

নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী বৈতরণী পার

হতে অর্থের অপব্যবহার রোধ এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক

থেকে সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট এই জরুরি নির্দেশনা প্রেরণ করা

হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট থেকে এই বিশেষ

সার্কুলারটি জারি করা হয়েছে গত রোববার বিকেলে। নির্দেশনায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা

হয়েছে যে, গত রোববার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই আর্থিক বিধি-নিষেধ আগামী ১২

ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অর্থাৎ মোট ৯৬ ঘণ্টা বলবৎ থাকবে। নির্বাচনের

এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমএফএস ও ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি)

আওতাধীন ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি বা পিটুপি লেনদেনের

অপব্যবহার রোধেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

নতুন এই প্রশাসনিক আদেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যে এমএফএস গ্রাহকরা ব্যক্তি

পর্যায়ে প্রতিবার সর্বোচ্চ “এক হাজার টাকা” পাঠাতে পারবেন এবং সারাদিনে মোট

লেনদেনের সংখ্যা ১০টির বেশি হতে পারবে না। এর ফলে ২৪ ঘণ্টায় একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ

“১০ হাজার টাকা” পাঠানোর সুযোগ পাবেন। তবে জনস্বার্থ বিবেচনা করে মার্চেন্ট পেমেন্ট

এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মতো ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী

নিয়মিত লেনদেনের বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। এর বাইরে অন্য সকল প্রকার এমএফএস লেনদেন

এই সময়ে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে আরও জানানো হয়েছে যে, এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি

পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা আইবিএফটির মাধ্যমে লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি এমএফএস প্রোভাইডারকে

নিজস্ব কুইক রেসপন্স সেল গঠন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

নির্দেশনা অনুযায়ী, সকল লেনদেনকে এমএফএস প্রোভাইডার কর্তৃক সার্বক্ষণিক নিবিড়

পর্যবেক্ষণের আওতায় আনতে হবে এবং কোনো “সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে

দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট করতে হবে।” একইসাথে ব্যাংক ও এমএফএস

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চাহিদানুযায়ী

সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা ১২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী সময়ে

পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *