123 Main Street, New York, NY 10001

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী পৌঁছানোর খবর ইতিমধ্যে শোরগোল ফেলেছে, কিন্তু তেহরান এতে গভীর উদ্বিগ্ন নয়। বরং তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বিদেশি যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি তাদের প্রতিরক্ষা নীতিতে বা কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে কোন পরিবর্তন আনে না। সোমবার এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ কথা বলেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৩-এর তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ মধ্যপ্রাচ্যে এসে পৌঁছায় এবং এখন তা ইরানের খুবই কাছাকাছি অবস্থান করছে। তখনই এলাকাতেই পাঠানো হচ্ছে ইসরাইলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ‘থাড’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাটারি, যা আগামী দিনের মধ্যে পৌঁছে যাওয়ার কথা। ইসরাইলি সূত্রের দাবি, গত এক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর সম্ভাব্য আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সেই প্রক্রিয়াও সম্ভবত সম্পন্ন হয়েছে।

এমন সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই, ইরানের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই স্পষ্ট করে বলেছেন, তেহরান কখনোই যুদ্ধকেও স্বাগত জানায় না, তবে নিজের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা অটল। তিনি বলেন, ইরানের জনগণের স্বতঃসম্পূর্ণ সমর্থন ও নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতার কারণে, বিদেশি রণতরীর উপস্থিতি বা সামরিক মহড়া তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো প্রভাব ফেলতে পারবে না। বরং আলোচনা ও কূটনীতির দরজা খোলা রেখেই তারা নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চান।

অন্যদিকে, এই সামরিক তৎপরতা ও সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে গভীর উদ্বিগ্ন রাশিয়া। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সতর্ক করে বলেছেন, যদি ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেয়, তা পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বিপন্ন করবে। যেনেই জন্য রাশিয়া অপ্রতিরোধ্যভাবে এই উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের ওপর জোর দিয়ে সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম ধারণের আহ্বান জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *