123 Main Street, New York, NY 10001

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অভিযোগ করেছেন, নোয়াব (নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) অনেক বড় বড় কথা বলে থাকলেও তারা সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট কখনোই সরবরাহ করেনি। তিনি উল্লেখ করেন যে, চলতি বছরের জুলাইয়ে যে ছয়জন সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সামান্য হেলমেটও ছিল না।

রোববার ঢাকায় রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে শফিকুল আলম এসব কথামালাও উচ্চারণ করেন। এ অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় ‘সাংবাদিক সহায়তা ডেস্ক হস্তান্তর’ শীর্ষক এক প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস সচিব আরও বলেন, এর আগে তারা অনেক বড় বড় সম্মেলন করেছেন, যেখানে সাংবাদিকদের জন্য কোনো ইকুইপমেন্টের কথা কেউ বলেননি। সম্পাদক পরিষদের মতো সংগঠনও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কতজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, তার জন্য কি কোনো সরকারি বা সংগঠন পক্ষ থেকে যথাযথ স্টেটমেন্ট দেওয়া হয়েছে? তিনি নিজে সেটি দেখেননি বা জানেন না বলে দাবি করেন।

শফিকুল আলম সাংবাদিকদের提醒 দেন, যারা তাদের প্রতিষ্ঠান ও অ্যাসাইনমেন্টের জন্য দায়িত্বশীল, তাদের উপর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। তারা সেই দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে কি না, সেটা সাংবাদিকেরা সোচ্চার হয়ে দেখতে বলছেন।

প্রেস সচিব আরও বলেন, অনেক সময় সাংবাদিকরা সরকারের সমালোচনায় বেশি বেশি মুখর হয়ে থাকেন, যা প্রশংসনীয়। তবে এই সমালোচনায় প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। অন্যদিকে, ব্যর্থতা বা ভুলের বিষয়েও আলোকপাত করা দরকার।

তিনি দাবি করেন, সবাই মিলেমিশে সার্বজনীন ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। তবে একজন দল নিজেরাই ঐক্য সৃষ্টি করে অন্য দলের সাংবাদিকদের টেনে হিঁচড়ে আনলে তা চলবে না।

শফিকুল আলম আরও বলেন, এই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা দেখেছি, সাংবাদিকরা কতটা মুক্তভাবে ফ্রী জার্নালিজম করে এসেছেন। তারা খোলাখুলি সমালোচনা করতে পেরেছেন। তিনি যোগ করেন, দেশের সাংবাদিকতায় কোন গাইডবুক বা সংগঠনের নির্দেশনা নেই; যা ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়, সেটি মোকাবেলা করার জন্য স্পষ্ট নীতিমালা তৈরি হয়নি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও প্রতিনিধি সুসান ভাইজ, ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের ব্যক্তিরা, আইনগত সংস্থা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *