123 Main Street, New York, NY 10001

উত্তর আমেরিকার প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার ধারাবাহিকতায়

কানাডাকে নিজের নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ থেকে বাদ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ডোনাল্ড ট্রাম্প।

প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে

প্রকাশিত এক পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি আমন্ত্রণ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়ে লেখেন,

‘অনুগ্রহ করে এই চিঠিটিকে এই মর্মে বিবেচনা করুন, কানাডার যোগদানের বিষয়ে বোর্ড অব

পিস আপনাকে দেওয়া আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করছে।’ এই সিদ্ধান্তের আগে সম্প্রতি মার্ক

কার্নি যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন বর্তমান বৈশ্বিক ব্যবস্থায় একটি ‘ফাটল’ সৃষ্টির

আশঙ্কার কথা বলে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এসেছিলেন।

কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে আগে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে, কোনো ধরনের অর্থ পরিশোধ

ছাড়াই তারা এই বোর্ডে যোগ দিতে চায়। তবে ট্রাম্পের এই প্রকল্পে স্থায়ী সদস্য

দেশগুলোর জন্য ১ বিলিয়ন ডলার সদস্যপদ ফি প্রদানের শর্ত ছিল, যা পরিশোধে অটোয়া

সম্প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। যদিও গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী কার্নি নীতিগতভাবে

ট্রাম্পের এই আমন্ত্রণ গ্রহণের ইতিবাচক সংকেত দিয়েছিলেন, কিন্তু বৃহস্পতিবার

সন্ধ্যার ওই পোস্টে ট্রাম্প কেন এই প্রস্তাব ফিরিয়ে নিলেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো

কারণ ব্যাখ্যা করেননি। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্নির দপ্তর থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে

কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই বোর্ডটির পরিধি ও কার্যকারিতা নিয়ে এরই মধ্যে মিশ্র

প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান আন্তোনিও কোস্তা জানিয়েছেন যে,

বোর্ডটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের মনে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে, তবে

গাজা সংকটের মতো সুনির্দিষ্ট বিষয়ে তাঁরা এই সংস্থার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

উল্লেখ্য যে, এই ‘বোর্ড অব পিস’-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রাম্পকে দেওয়া হয়েছে অসীম

সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং যুক্তরাষ্ট্র এটিকে আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনের একটি

শক্তিশালী ও নতুন বিকল্প সংস্থা হিসেবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। শেষ

পর্যন্ত ফি সংক্রান্ত বিরোধ ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে কানাডার এই বোর্ডে থাকা আর

নিশ্চিত হলো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *