123 Main Street, New York, NY 10001

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড নির্ধারণ করেছে

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর নির্বাচক কমিটি এই দল

চূড়ান্ত করেছে বলে বুধবার গণমাধ্যম সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ঘোষিত এই স্কোয়াডে

বেশ কিছু চমকপ্রদ অন্তর্ভুক্তি যেমন রয়েছে, তেমনি দলের নিয়মিত ও তারকা কিছু

খেলোয়াড়ের বাদ পড়া ক্রিকেট পাড়ায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে বিগ ব্যাশ লিগে

ব্যর্থ মৌসুম কাটানোর পরেও বাবর আজমকে দলে রাখা হলেও, বাদ পড়েছেন

উইকেটকিপার-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং ফাস্ট বোলার হারিস রউফ।

সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে পেসার হারিস রউফের বাদ পড়ার বিষয়টি। বর্তমানে বিগ

ব্যাশ লিগে মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করে আসরের সেরা একাদশে জায়গা

করে নেওয়া সত্ত্বেও তাকে বিশ্বকাপ দলের বাইরে রাখা হয়েছে। সূত্রমতে, মূলত কোচ মাইক

হেসনের আপত্তির কারণেই রউফকে দলে নেওয়া হয়নি। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপের ফাইনালে

ভারতের বিপক্ষে তার হতাশাজনক পারফরম্যান্সই এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হিসেবে

কাজ করেছে। ওই ম্যাচে ৩.৪ ওভারে ৫০ রান দিয়ে কোনো উইকেট না পাওয়ার বিষয়টি টিম

ম্যানেজমেন্টের আস্থার সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মোহাম্মদ রিজওয়ান বিগ

ব্যাশে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হওয়ায় তার জায়গা নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল এবং শেষ পর্যন্ত তাকেও

স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে।

বিশ্বকাপের জন্য গঠিত পাকিস্তানের এই ১৫ সদস্যের দলে ব্যাটিং বিভাগকে শক্তিশালী

করতে সালমান আলী আগা, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, ফখর জামান এবং শাদাব খানকে

রাখা হয়েছে। নতুন মুখ হিসেবে ব্যাটিং লাইনআপে যুক্ত হয়েছেন খাজা নাফে। অলরাউন্ডার

হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন ফাহিম আশরাফ ও মোহাম্মদ নওয়াজ। স্পিন বিভাগের দায়িত্ব

সামলাবেন আবরার আহমেদ এবং উসমান খানও চূড়ান্ত একাদশের অংশ হতে যাচ্ছেন। পেস বোলিং

ইউনিটের নেতৃত্ব দেবেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহ। পেস আক্রমণে গভীরতা বাড়াতে

উসমান তারিক ও সালমান মির্জাকেও দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রিজার্ভ বেঞ্চ বা জিরো লিস্ট-এ রাখা হয়েছে ওয়াসিম জুনিয়র, আবদুল সামাদ ও হাসান

আলীকে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যদি কোনো খেলোয়াড় চোট পান বা শেষ মুহূর্তে পরিবর্তনের

প্রয়োজন হয়, তবে তারা দলের সঙ্গে যুক্ত হবেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ইতিমধ্যে

আইসিসির কাছে প্রাথমিক খেলোয়াড় তালিকা জমা দিয়েছে। তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী আগামী

৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুমতি ছাড়াই এই তালিকায় পরিবর্তন আনার সুযোগ রয়েছে। যদিও

স্কোয়াডটি অভ্যন্তরীণভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে, তবে পিসিবির পক্ষ থেকে খুব শীঘ্রই

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পাকিস্তান তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ১৫

ফেব্রুয়ারি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামবে তারা।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ১৮ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। গ্রুপ

এ-এর সবকটি ম্যাচ কলম্বোয় অনুষ্ঠিত হবে এবং সুপার এইট পর্বে উন্নীত হলে পরবর্তী

ম্যাচগুলো কলম্বো ও ক্যান্ডিতে খেলার সুযোগ পাবে দলটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *