123 Main Street, New York, NY 10001

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সুখবর নিয়ে আসছে নতুন পে-স্কেল। বেতন

কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশে সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন বর্তমানের তুলনায়

প্রায় আড়াই গুণ বৃদ্ধি করে ২০ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমানে এই ধাপের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ধাপের বেতনও দেড়

গুণ বাড়িয়ে ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার

কাছে বেতন কমিশনের এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হবে।

দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দেড় বছর পর দেশের অর্থনীতির চাকা সচল করতে এবং উচ্চ

মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আয়-বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন

সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন

কাঠামো যুগোপযোগী ও পুনর্গঠন করার জন্য গত জুলাই মাসে এই পে-কমিশন গঠন করা হয়েছিল।

প্রায় ছয় মাসের নিরলস কাজ ও পর্যালোচনা শেষে কমিশন তাদের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির

সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নতুন কাঠামো অনুযায়ী

সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত হবে ১:৮। হিসাব অনুযায়ী, এই পুরো বেতন কাঠামো

বাস্তবায়ন করতে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে

পারে।

প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো পূর্ণাঙ্গভাবে আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার

পরিকল্পনা রয়েছে, যার দায়িত্ব থাকবে পরবর্তী নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের ওপর। তবে

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় নিয়ে চলতি জানুয়ারি মাস থেকেই আংশিকভাবে এই নতুন

কাঠামো বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত

বাজেটে সরকার ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। এ প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা ড.

সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, কমিশনের চেয়ারম্যান তাকে আশ্বস্ত করেছেন যে এই কাঠামো

বাস্তবায়িত হলে সবাই খুশি হবে। সরকার বিশ্বাস করে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের

মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটবে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর

একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *