123 Main Street, New York, NY 10001

জানুয়ারির শীতকালীন দলবদলের বাজার শুরু হতেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর মধ্যে নতুন তারকা কেনার হিড়িক দেখা গেছে। শিরোপা লড়াইয়ে টিকে থাকতে কিংবা অবনমন থেকে রেহাই পেতে প্রতিটি দলই ব্যাপক অর্থ বিনিয়োগ করে আসছে। এই প্রক্রিয়ায়, খেলোয়াড় কেনা ও বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ বাদে যে ‘নেট খরচ’ হিসাব করা হয়, তাতে বর্তমানে শীর্ষে রয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা। ২০১৬ সালে ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি এই ক্লাবে মোট ১০৩ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১৪ হাজার ৯৮ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছেন, যা আধুনিক ফুটবলের ইতিহাসে এক অনন্য নজির।

গার্দিওলার পরে দ্বিতীয় স্থানে আর্সেনালের কোচ মিকেল আরতেতা, যার মাধ্যমে ২০১৯ সালের শেষের দিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রায় ৮৯ কোটি ৯০ লাখ ইউরো বা প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। যদিও তিনি গার্দিওলার তুলনায় তিন বছর কম সময়ে দায়িত্বে ছিলেন, তবে তার খরচের হার বেশ চোখে পড়ার মতো। তৃতীয় স্থানে রয়েছে নিউক্যাসলের এডি হাউ, যিনি ২০২১ সাল থেকে এই ক্লাবের নেট খরচ করেছে প্রায় ৪৬ কোটি ৩০ লাখ ইউরো। তবে এত বড় বিনিয়োগ সত্ত্বেও, অনেক ফুটবল বিশ্লেষক মনে করেন যে নিউক্যাসল এখনো নিজেদের কাঙ্ক্ষিত শীর্ষ চার নিশ্চিত করতে পারছে না।

চতুর্থ স্থানে রয়েছেন লিভারপুলের কোচ আর্নে স্লট, যিনি মাত্র দ্বিতীয় মৌসুম পার করেছেন। তার নেট খরচ প্রায় ২৫ কোটি ৮০ লাখ ইউরো। এরপরই রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সদ্য বিদায়ী কোচ রুবেন আমোরিম, যিনি গত বছরের শেষের দিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় ২০ কোটি ৮০ লাখ ইউরো খরচ করেছেন। এই বিনিয়োগ স্বাভাবিক বলে মনে হলেও, বর্তমানে এই বাজারে এই ধরনের ব্যয় বেশ ভারসাম্যপূর্ণ বলে বিশ্লেষকদের ধারনা।

বিষয়টি কিছু চমকপ্রদ নামও সামনে এসেছে। টটেনহামের টমাস ফ্রাঙ্ক ১৬ কোটি ৮০ লাখ ইউরো ব্যয় করে ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, এভারটনের নতুন কোচ ডেভিড ময়েস ১১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো নিয়ে দশম স্থানে আছেন। আশ্চর্যজনকভাবে, চেলসির সাবেক কোচ এনজো মারেস্কা চেয়েও পিছিয়ে রয়েছেন ১১ কোটি ৬০ লাখ ইউরো খরচ করবার মাধ্যমে, যা মূলত চেলসির বিপুল পরিমাণ খেলোয়াড় বিক্রির কারণ। বিশিষ্টতা তৈরি করেছেন অ্যাস্টন ভিলার কোচ উনাই এমেরি, যিনি মাত্র ৪ কোটি ৭০ লাখ ইউরো খরচ করে ১৩তম স্থান দখল করে আছেন, এবং এটিই তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দক্ষতার প্রমাণ৷ বর্তমানে জানুয়ারির উইন্ডোতে এই বিনিয়োগের পরিমাণ পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দলবদলের বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *